Madan Mitra: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৯ জুলাই মদন মিত্রকে ED-র তলব, তার আগে আজই CGO কমপ্লেক্সে বিধায়ক-পুত্র


আবির দত্ত, কলকাতা: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ED-র স্ক্যানারে মদন মিত্র (Madan Mitra)। এই মামলায় এর আগেই কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজ, বুধবার সেই তলব অনুযায়ী CGO কমপ্লেক্সে এলেন মদন মিত্রর ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র। আজ ও আগামীকালের মধ্য়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা মিত্রকেও। একইসঙ্গে, ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে মদন মিত্রর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও। এদিকে, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৯ জুলাই কামারহাটির বিধায়ককে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেদিন সকাল ১১টায় তাঁকে তলব করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। 

আজ সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ CGO কমপ্লেক্সে এসে উপস্থিত হন মদন মিত্রের ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র। তাঁকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে বেশ কিছু ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়। জানা যাচ্ছে, সেই মতো প্রয়োজনীয় নথি নিয়েই উপস্থিত হন কামারহাটির বিধায়কের ছেলে। সেই সময়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি তা এড়িয়ে যান। এদিকে ED সূত্রে খবর, কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অভিযোগ, কামারহাটি পুরসভা (Kamarhati Municipality) ও টিটাগড় পুরসভা – এই দুই পুরসভায় নিয়োগক্ষেত্রে বেশ কিছু সুপারিশ হয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই সকল সুপারিশ হয়েছে টাকার বিনিময়ে। সেই মর্মেই আজকের এই জিজ্ঞাসাবাদ। মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই ছেলের নামে থাকা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর ED আধিকারিকদের। তার মধ্যে দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যে আর্থিক লেনদেন হয়েছে তা সন্দেহজনক বলে দাবি তাঁদের। 

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৩ জুন পুর-দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাট থেকে বিধায়কের ভবানীপুরের বাড়ি, চলে তল্লাশি অভিযান। জোকায় মদন মিত্রের আরেকটি ফ্ল্যাটেও যান ED আধিকারিকরা। ভবানীপুরে মদন মিত্রের বাড়ির কাছেই তাঁর পার্টি অফিসে চলে অভিযান। কখনও নগদ, কখনও সোনাদানা ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন অন্তত ১২৫ জন, দাবি ED-র। কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভায় এই চাকরিগুলি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি ED-র। 

ED সূত্রে দাবি, পুর-দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড ধৃত অয়ন শীলের ডায়েরিতে লেখা রয়েছে ‘MM’ বলে একটি সাঙ্কেতিক নাম। সেই সূত্র ধরেই জুন মাসের ১৩ তারিখ মদন মিত্রের বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় অভিযান চালান তদন্তকারীরা। সন্তোষপুরের একটি ক্লাবেও চলে তল্লাশি। ED সূত্রে দাবি, ওই ক্লাবের সভাপতি থাকাকালীন, ক্লাবের অ্যাকাউন্ট থেকে মদন মিত্রের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বড়সড় লেনদেন হয়। সেই টাকার সঙ্গে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগ আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতেই ক্লাবের নথিপত্র দেখেন ED আধিকারিকরা। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *