Netaji Nagar Incident: নেতাজিনগরে নাবালিকাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ, মুখ খুললেন নির্যাতিতার মা, “হাত ধরে টেনে, ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়..”


ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা: নেতাজিনগরে নাবালিকাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১ জনকে। প্রতিবেশি যুবকের বিরুদ্ধে, শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ। 

আরও পড়ুন, বারুইপুরে নাবালিকাকে খুন করে ধর্ষণের অভিযোগে, ” যাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, উনি নির্দোষ, পুলিশ আমাকে যা বলেছে..”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

নেতাজিনগরে ১১ বছর বয়সী নাবালিকা, তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, প্রতিবেশি এক যুবক মাঝেমধ্যেই ওই নাবালিকাকে উত্যক্ত করে। আজকে ওই নাবালিকা যখন বাড়ির সামনে থেকে হেঁটে যাচ্ছিল, তখন তাঁর হাত ধরে টেনে, ঘরের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ঘরের মধ্যে ঢুকে ওই নাবালিকার উপর, নির্যাতন করে বলে মারাত্মক অভিযোগ করেছে নির্যাতিতার পরিবার। এরপর ওই নাবালিকা, ওই স্থান থেকে বেরিয়ে আসেন। এবং বেরিয়ে আসার পর, নিজের মায়ের কাছে গোটা বিষয়টা জানায়, যে তার উপর কী অত্যাচার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা, পেশায় অটোচালক অভিযুক্ত ওই যুবকের বিরুদ্ধে নেতাজি নগর থানায় একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ইতিমধ্য়েই ওই অভিযুক্ত যুবককে ইতিমধ্যেই আটক করেছে। এবং পকসো আইনে, নেতাজি নগর পুলিশ স্টেশনে, মামলারুজু হয়েছে। এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। 

অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আরও স্থানীয় বেশ কয়েকজন যেটা অভিযোগ করছেন যে, সে প্রায়শই এটা করে। কিন্তু কোনও একটা অদৃশ্য রক্ষাকবচের কারণে তাঁকে কেউ কিছু করতে পারেনি। কিন্তু আজকে সে, ওই এগারো বছরের নাবালিকার উপর অত্যাচার করে, শারীরিক নির্যাতন করে, তখন নির্যাতিতার পরিবার জানানোর পর, বিষয়টি পুরোপুরি সামনে আসে।এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।

এবিপি আনন্দ: আপনার মেয়ের কত বছর বয়স ?

নির্যাতিতার মা: ১১ বছর বয়স।

এবিপি আনন্দ: এই যে অভিযুক্ত , এ কী করে ?

নির্যাতিতার মা:  ও আগে অটো চালাতো, এখন আর কিছু করে না। ওনার স্ত্রী যেহেতু কাজ করে, উনি এখন কাজ কিছু করে না। সারাক্ষণ খালি ড্রিঙ্ক করে। রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে এলে, ছোট বড় কথা বলে, মানে নোংরা নোংরা কথা বলে। আমার সঙ্গে কিছু না হলে, এক দেড় মাস তো এরকম করছে। আর আজকে ডায়রেক্ট হাত ধরে ঘরে নিয়ে গিয়েছে। নিয়ে গিয়ে ওর শারীরিক নির্যাতন করেছে। 

এবিপি আনন্দ: আপনি থানায় জানিয়েছেন ?

নির্যাতিতার মা: হ্যাঁ জানিয়েছি। ওকে তুলেও এনেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *