Headlines

Pep Guardiola: ক্লপের পর এবার জাতীয় দলের কোচিং করাবেন পেপ গুয়ার্দিওলা? শুরু তীব্র জল্পনা


নয়াদিল্লি: চার চারবার বিশ্বকাপ জিতেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্বিতীয় সফলতম (যুগ্মভাবে) দেশ ইতালি। তা সত্ত্বেও বুফোঁ, মালদিনি, ডিনো জফ, বাজ্জিওদের দল নাগাড়ে তিন বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি। তবে পরের বিশ্বকাপে যাতে ভাগ্য বদলায়, সেই কারণে এবারের বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই কাজ শুরু করে দিয়েছে ইতালি। আর বিশ্বকাপে ফেরার লক্ষ্যে ইতালিয়ানরা কোচের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে পেপ গুয়ার্দিওলাকে।

বিশ্বের সর্বকালের সর্বসেরা কোচগুলির মধ্যে একেবারে শীর্ষ সারিতে পেপ গুয়ার্দিওলার নাম থাকবে। তিনি সদ্যই ম্যাঞ্চেস্টার সিটির কোচ হিসাবে এক সুবর্ণ অধ্যায় শেষ করেছেন। আপাতত কোচিং থেকে বিরতিতে রয়েছেন পেপ। তবে ইতালির স্কাই স্পোর্টসের রিপোর্ট অনুযায়ী গুয়ার্দিওলার সঙ্গে কোচ হওয়ার বিষয়ে ইতিমধ্যেই ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের তরফে কথাবার্তা হয়েছে।

স্প্যানিয়ার্ডকে জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে রাজি করার প্রক্রিয়া চলছে। একই রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে ইতালিয়ান জাতীয় দলের নতুন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি এবং তাঁর পরামর্শদাতা লিওনার্দো বিগত দিনে বার্সেলোনায় গিয়ে তিন দিন ধরে পেপ গুয়ার্দিওলার সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন।

এই প্রথম নয়, এর আগেও পেপ গুয়ার্দিওলার জাতীয় দলের কোচ হওয়ার একাধিক কানাঘুষো সামনে এসেছিল। খবর অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পেপ গুয়ার্দিওলা ইংল্যান্ডের কোচ হওয়ার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ম্য়াঞ্চেস্টার সিটিতেই নিজের চুক্তি বাড়ান এবং ইংল্যান্ডের কোচ হন না। তবে বর্তমানে অন্য কোনও ক্লাবের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ায়নি। এরই মাঝে ইতালির কোচ হওয়ার এই জল্পনা শুরু হয়েছে।

গুয়ার্দিওলার কিন্তু ইতালিয়ান ফুটবলের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ব্রেসিয়া এবং রোমার হয়ে ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইতালির সিরি এ-তে খেলেছেন। একেবারে ঝর ঝরে ইতালিয়ান বলতে সক্ষম পেপ। তাই এপ্রিল মাসে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়ার পর জেনার গাতুসো ইতালিয়ান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পরেই পেপ গুয়ার্দিওলার নাম কোচ হওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসছে।

তবে গুয়ার্দিওলা কিন্তু একা নন, পেপের পাশাপাশি প্রাক্তন ইতালিয়ান ফুটবলার রবার্তো মানচিনি, আন্দ্রে পির্লোর নামও আলোচনায় উঠে আসছে। শেষমেশ কে ইতালির দায়িত্ব নেন এবং তারা পরের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে কি না, সেটা কিন্তু দেখার বিষয় হতে চলেছে।   



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *