ডালাস: জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে নামছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডাে (Cristiano Ronaldo)। আগের দিনই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। কিন্তু এই বিশ্বকাপে আর কতগুলো ম্য়াচ খেলবেন সি আর সেভেন, তা অনেকটা নির্ভর করছে আজকের স্পেন বনাম পর্তুগাল ম্য়াচের ওপর। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে লামিনে ইয়ামাল, রদ্রিদের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন রোনাল্ডো, ব্রুনো, মেন্ডেসরা। জিতলে পরের রাউন্ডে যাবে দল। বেঁচে থাকবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন। আর হারলে এখানেই শেষ। ২৩ বছরের ফুটবল কেরিয়ারে হয়ত ইতি টানবেন ক্রিশ্চিয়ানো। তবে এমন ম্য়াচের আগে মায়ের থেকে বিশেষ বার্তা পেলেন সি আর সেভেন।
স্পেন ম্য়াচের আগে রোনাল্ডোর মা মারিয়া নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, ‘আগাম শুভেচ্ছা আমাদের জাতীয় দলকে। আমরা সবাই একসঙ্গেই আছি।’ এমন বার্তার পর নিঃসন্দেহে আরও তেতে উঠবেন সি আর সেভেন। কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে কেরিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ হাতে নেওয়ার আগে বেশ কয়েকটি কঠিন হার্ডল পেরতে হবে পর্তুগালকে। তার প্রথম ধাপ বোধহয় স্পেন ম্য়াচই হতে চলেছে।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিশ্ব ফুটবলে রাজ করছেন। বয়স ৪১ পেরিয়েছে, যাওয়ার সময় তো যেতেই হবে। নতুনদের জায়গা ছাড়তে হয়। সি আর সেভেন বলছেন, ‘আমি জানি এই প্রশ্নটাই সবার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, বিশেষ করে অনেক সাংবাদিকের মনে। আমি বলে দিতে চাই যে এটাই আমার কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। হ্যাঁ, এটাই শেষ বিশ্বকাপ। সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।’ চলতি টুর্নামেন্টে একেবারের নিজের সেরা পারফরম্যান্সের ধারেকাছে নেই ক্রিশ্চিয়ানো। এখনও পর্যন্ত গ্রুপের তিন ম্যাচ ও রাউন্ড অফ ৩২ এর ম্যাচ ধরে মোট ৩ গোলই করতে পেরেছেন। তাঁকে নিয়ে মিম, ফুটবল পন্ডিতদের খোঁচা দেওয়া মন্তব্য ভাইরাল হচ্ছে। নিজেও বুঝতে পারছেন সবই। রোনাল্ডো বলছেন, ‘আমার বয়স ৪১। আমি জানি আগের মত আর খেলতে পারছি না। কিন্তু এখনও আমি গোল করতে পারি। আশা করি যে আমি স্পেনের বিরুদ্ধেও গোল করতে পারব। যদি আমি নাও গোল করতে পারি, কেউ না কেই গোল করবেই। কারণ আমাদের লক্ষ্য বিশ্বকাপে পরের রাউন্ডে ওঠা। আমার ব্যক্তিগত গোলের সং্খ্যা বাড়ানো নয়।’
