Headlines

Sajal Ghosh: ‘ওরা আমাদের দলে আসুক, এটা কোনও জায়গায় আমি চাই না’, বরানগর ‘পোস্টারকাণ্ড’- এ বলছে বিধায়ক সজল ঘোষ


আবির দত্ত, বরানগর : উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরের বিভিন্ন অংশে পড়ল পোস্টার। সেখানে লেখা, বরানগরের কোনও তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কোনও গুন্ডা-নেতা-কর্মীদের বিজেপিতে নেওয়া চলবে না। পোস্টারের নীচে লেখা, সৌজন্য়ে, আদি ও তৎকালীন ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীবৃন্দ, বরানগর। রবিবার ৫ জুলাই সকাল হতেই দেখা যায় বরানগরের বিভিন্ন বাজার সংলগ্ন এলাকায় পড়েছে এই পোস্টার। 

এই প্রসঙ্গে বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, ‘কারা এই পোস্টার করেছেন জানি না। তবে তাঁরা আমার মনের কথাটাই বলেছেন। তাঁদের স্বাগত জানাই। এতদিন ধরে এত কর্মীরা মার খেল, রক্তাক্ত হল, আক্রান্ত হল… আর আজকে যাদের বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিল, আমি মোটেই তাদের নেওয়ার পক্ষে নই। ওদের উপর আক্রমণ হোক, সেটাও আমি চাই না। ওদের আইন সাজা দেবে। অনেককে ধরেছে। সারা বাংলায় ধরা পড়ছে। সেখানে আইন আমরা নিজের হাতে নেব না। সেটাই তৃণমূলের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য। ওরা আমাদের দলে আসুক, এটা কোনও জায়গায় আমি চাই না।’ 

মিনি ফিরোজ, গুলশন কলোনির ত্রাস ফের পুলিশের জালে, কোথা থেকে পাকড়াও? এবার কী অভিযোগ 

অন্যদিকে, তোলাবাজি, তহবিলে দুর্নীতি থেকে নির্মাণকাজে কাটমানি। এই সব অভিযোগে কলকাতা পুরসভার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিল মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার। প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিল মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার, তোলাবাজি, দুর্নীতির অভিযোগে পড়েছে এই পোস্টার। 

ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নামে দেওয়া ওই পোস্টারে আনা হয়েছে তোলাবাজি, পুরতহবিলে দুর্নীতি থেকে নির্মাণকাজে বর্গফুট হিসেবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ। শিয়ালদা এলাকার সুরেন্দ্রনাথ কলেজ, শ্রদ্ধানন্দ পার্ক সহ বিভিন্ন এলাকায় পড়েছে ওই পোস্টার। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি করেছে। তোলাবাজি, স্কোয়ারফুটে টাকা। গ্রেফতার করা হোক।’ প্রাক্তন কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়েছে ‘স্কোয়ার ফুট- এ পয়সা নাও, চোর মোনালিসা বিদায় নাও’, ‘Filmi ব্যানার্জির বিদায় হোক, আমরা চাই যোগ্য লোক’, ‘তোলাবাজ মোনালিসা ব্যানার্জির বিচার চাই, কর্পোরেশন ফান্ডের টাকার হিসাব চাই’। কলকাতা পুরসভার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের তরফে এই পোস্টার দেওয়া হয়েছে। 

উত্তর কলকাতায় বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম বন্দ্যোপাধ্যায় – নতুন নয়। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের মুখে সেই বিবাদ চরমে ওঠে। তাঁকে অন্ধকারে রেখে তাঁরই ওয়ার্ডে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হয়েছে – এই অভিযোগে ধর্না শুরু করেন ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন তৃণমূল কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। লের বিরুদ্ধে বেসুরো হয়ে ওঠা মোনালিসার পাশে দাঁড়ান তৃণমূলের তৎকালীন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। পরে দলীয় নেতৃত্বের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এবার সেই মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার পড়ল পোস্টার। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *