সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীরামপুর: আবারও কাউন্সিলরকে ঘিরে বিক্ষোভ। শ্রীরামপুর পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনা। সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এরপর শ্রীরামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে আসেন ও এই ক্ষোভ বিক্ষোভকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় একটি স্কুলের মাঠ ছিল। সেই মাঠে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করার নাম করে দখল করা হয়। সেই সময় কারও সঙ্গে আলোচনাও করা হয়নি বলেই অভিযোগ জানান স্থানীয় মানুষরা।
আরও পড়ুন: শোকজের পর এবার ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ থেকে বহিষ্কৃত ফিরহাদ হাকিম সহ একাধিক নেতা-নেত্রী
তাঁদের আরও অভিযোগ, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়নি। অর্ধেক কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছিল। এর ফলে ওই এলাকায় যে কোনও মুহূর্তে যে কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেই মনে করছেন স্থানীয় মানুষ। এ ছাড়াও বেহাল অবস্থা এলাকার রাস্তার। স্থানীয় একটি জলাশয়, যার নাম বড় পুকুর, সেটাও পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কাউন্সিলর। কিন্তু সেই পুকুর পরিষ্কার হয়নি। যদিও জন গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এর জন্য ৯৭ হাজার ৯৭৩ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়াও আরও অভিযোগ রয়েছে। ঠান্ডা জলের মেশিন বসানোর জন্য ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭১৯ টাকা খরচ করা হয়েছে। অভিযোগ, এখনও সেখানে কোনও মেশিন বসেনি। অন্যদিকে, একটা লাইট পোস্ট তৈরি করতে ১ লক্ষ ২২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। যদিও এলাকাবাসীর দাবি, মাত্র ৫ হাজার টাকার লাইট পোস্ট বসেছে। এ ছাড়াও নিকাশি ব্যবস্থাতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অবশেষে পুরসভার চেয়ারম্যান আসেন ঘটনাস্থলে। এবং এলাকার মানুষকে এই আশ্বাস দেন যে খুব তাড়াতাড়িই রাস্তা পরিষ্কার হবে ও জলাশয় ঠিক করা হবে। আর এর জন্য তিনি ৭ দিন সময় চান এলাকাবাসীর থেকে।
২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মমতা রায় বলেন, “আমাদের কাউন্সিলর ভোটের আগে কথা দিয়েছিলেন বড় পুকুর সংস্কার করার। কিন্তু ৪ বছরে কোনও কাজ হয়নি। গত মাস কয়েক সেই কাজে উদ্যোগী হয়েছিলেন তিনি। যদিও নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে না। এর ফলে, আশপাশের বাড়িতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এখন জল যে পাস হত, সেই মুখটা জ্যাম হয়ে গিয়েছে। এর ফলে এলাকার মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। বাড়িতে বিষাক্ত সাপও বাড়িতে ঢুকে পড়ছে।”
Aroop Biswas: “আমি তৃণমূল, তৃণমূল, তৃণমূল”, আর যা বললেন অরূপ বিশ্বাস…
