Suvendu Adhikari: “কীসের আজাদি ভাই? কলকাতার রাস্তায় কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি লিখবেন?”, নজরুল মঞ্চ থেকে যাদবপুর প্রসঙ্গে কড়া বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর


কলকাতা: নজরুল মঞ্চ থেকে একটি অনুষ্ঠানে ‘আজাদি’ স্লোগান নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “যাদবপুরের দেওয়ালে কিষেণজি স্যালুট স্লোগান কেন? কিসের আজাদি? নতুন প্রজন্মকে কী শেখাচ্ছেন?”              

আরও পড়ুন: ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিন নাহলে…’, যাঁরা এখনও টাকা পাননি মঞ্চ থেকে তাঁদের হয়ে সওয়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ত্যাগ, বলিদানের কথা বলেন। তাঁর মুখে শোনা যায় নেতাজির লড়াই বা মাতঙ্গিনী হাজরার বলিদানের কথাও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) এদিন বলেন, “দেশের বাইরে তো শত্রুরা আছে। দেশের ভিতর থেকে আমরা খুব কষ্ট লাগে যখন দেখি কলকাতার রাস্তায় আজাদি, আজাদি। কীসের আজাদি ভাই? আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ত্যাগ, নেতাজির লড়াই, মাতঙ্গিনী হাজরার বলিদান মনে রাখতে হবে। আমরা তো ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা পেয়েছি।”              

এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, কাশ্মীর প্রসঙ্গেও। তাঁর কথায় উঠে আসে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগানের কথাও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, “যে কাশ্মীরের জন্য আমাদের সঙ্গে পাকিস্তানের এত যুদ্ধ, লড়াই। আর আপনি কলকাতার রাস্তায় কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি লিখবেন? এ খুব পীড়াদায়ক।”              

আরও পড়ুন: ‘২০ জন সাংসদের পদ খারিজ করে দেখিয়ে দেব’, প্রতিজ্ঞা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে ‘জোড়া চ্যালেঞ্জ’, মঞ্চ থেকে হুঙ্কার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এরপর তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে কিষেনজির প্রসঙ্গও। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে বলেন, “সেন্টার ফর এক্সেলেন্স, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে কলাবিভাগের দেওয়ালে লিখবেন রেড স্যালুট কিষেনজি? কী শেখাচ্ছেন নতুন প্রজন্মকে?”              

পরবর্তীতে যাদবপুরের একটি অনুষ্ঠান থেকেও এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তিনি। তিনি বলেন, “যাদবপুরে বিদেশি প্রভাব যুক্ত কমিউনিস্টদের রাজত্ব ছিল। যাদের বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি থাকত না। যারা একসময় নেতাজি, কবিগুরুকেও আক্রমণ করেছিল। তারা যাদবপুরের তো সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে একটা মানসিকতা তৈরি করেছিল। যে মানসিকতায় স্বাধীনতা দিবস, দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদ, বাঙালি পরম্পরা। এই পরম্পরা থেকে বিচ্যুতি ঘটিয়েছিল বামেরা, পরে জামাতিদের শাসন। তাদের কাছে উর্দুকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াই ছিল এজেন্ডা”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *