Tapas Roy on Tata: দফতরের দায়িত্ব হাতে পাওয়ার পরই টাটাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার কথা বললেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়


কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের শিল্প দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। আর দায়িত্ব পেয়েই তাঁর মুখে শোনা গেল টাটার কথা। প্রথম কোন কাজ করবেন তিনি? জানালেন টাটাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসাই তাঁর প্রথম ও প্রধান কাজ। তাপস রায় বললেন, “আমার প্রথম কাজ হবে টাটাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। সিঙ্গুর ও অন্যান্য জায়গায়। সেটা তো দেখতে হবে, টাটাকে বলতে হবে। সিঙ্গুরে যে কী অবস্থা করে রেখেছে ১৫ বছরে। না শিল্প, না কৃষি।”

আরও পড়ুন: “কলেজে লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাবের বদলে বেডরুম”, বাম থেকে তৃণমূল; একসুরে সকলকে বিদ্ধ করলেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষামন্ত্রী

শিল্প ছাড়াও বাণিজ্য দফতর ও অচিরচরিত শক্তি দফতরের দায়িত্বও পেলেন তিনি। আর দফতর পাওয়ার পরই তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী শশী পাঁজা, এমনই জানিয়েছেন তাপস রায়। মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক বললেন, “অনেক ফোনই আসছে। প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী হিসাবে ফোন করেছিলেন শশী পাঁজা। আমাকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানালেন।”

তবে শুধু সিঙ্গুর বা টাটাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসাই নয়, আরও একাধিক বিষয় বললেন তিনি। শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় তাপস রায় বলেন, “এর পর হচ্ছে যে ৬ হাজার ৬৮৮ টি ছোট বড় কারখানা যে অনাচার, অত্যাচার, দুর্বিচারে যে চলে গিয়েছে, সেই ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের ফিরিয়ে নিয়ে আসা।” এরপর তিনি নিজের তৃতীয় লক্ষ্য ও সামনে নিয়ে আসেন। বলেন, “তৃতীয়ত, দেশ, বিদেশের সব বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের এখানে আসতে বলা। পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করা ও এখানে যে অনেক কিছু করার স্কোপ আছে। এমন একটি রাজ্য তো আর একটি পাওয়া যাবে না। এখানে সব পাবেন।”

আরও পড়ুন: দফতর পাওয়ার পর ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শশী পাঁজা, জানালেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়

উল্লেখ্য, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেলেন স্বপন দাশগুপ্ত। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী হলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী হলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষা ও  বস্ত্র দফতর পেলেন দীপক বর্মন। পরিবহণ দফতর ও শ্রম দফতরের দায়িত্ব পেলেন অর্জুন সিং। দুধকুমার মণ্ডল হলেন কৃষিমন্ত্রী। পর্যটন ও পরিষদীয় মন্ত্রী হলেন শঙ্কর ঘোষ। বন দফতর ও পরিবেশ দফতরের দায়িত্ব পেলেন মনোজ ওঁরাও। গৌরীশঙ্কর ঘোষ পেলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর ও জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতর। কল্যাণ চক্রবর্তী হলেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। অরূপ কুমার দাস হলেন সেচমন্ত্রী। আর পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী হলেন অজয় পোদ্দার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *