Tripura CM in Tarakeswar: তারকেশ্বরে ফের পুষ্পবৃষ্টি, জল ঢালতে এলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা


সোমনাথ মিত্র, তারকেশ্বর, হুগলি: শুরু হয়েছে শ্রাবণী মেলা। আর সেই মেলাকে ঘিরেই এবার একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপির সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে এসে শ্রাবণী মেলার উদ্বোধন করে গিয়েছেন। আর এবার শ্রাবণের তৃতীয় শনিবার তারকেশ্বরে এসে বাবা তারকনাথের মাথায় জল ঢাললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।              

আরও পড়ুন: “শুধু জয়কে অপমান নয়, ওটা আমাকেও অপমান করা…”, রবীন্দ্র সদনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তসলিমা নাসরিন

শ্রাবণের তৃতীয় শনিবার তারকেশ্বর মন্দির ও মন্দিরের আশেপাশের এলাকায় পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এদিন সপরিবারে মন্দিরে আসেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। প্রথমে দুধপুকুরের জল দেন মাথায়। তারপর পুরোহিতদের সঙ্গে মন্দিরে প্রবেশ করেন তিনি। গর্ভগৃহের বাইরে রাখা চোঙাতে হল ঢলেন তিনি। মন্ত্র উচ্চারণ করে পুজোও করান পুরোহিতরা।              

সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ছোটবেলায় বাড়ির লোকের সঙ্গে তারকেশ্বরে আসার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, “ছোটবেলায় পরিবারের সাথে  এই দুধপুকুরে এসে স্নান করেছি। তখন খুব ভালো লেগেছিল। এখন ও খুব ভালো লাগছে। মাথা ঠেকিয়েছি। জল ঢেলেছি। আগে পশ্চিমবঙ্গে নাস্তিক এর পরিবেশ ছিল এখন আস্তিকের পরিবেশ এসেছে। এই পরিবেশে আসার ফলে খুব ভালো লাগছে। আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে ও ভালো অনুভব হয়েছে।”              

আরও পড়ুন: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে নিয়ে কী মত? তসলিমা নাসরিন বললেন, ‘…পরিণতি ভাল হয় না’

ত্রিপুরার মানুষের জন্যও মঙ্গল কামনা করেছেন তিনি, এদিন সাংবাদিকদের বলেন মানিক সাহা। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাবা তারকানাথের কাছে জানিয়েছি, এই রাজ্য যাতে উন্নতির শিখরে পৌচ্ছায়। এবং যেহেতু আমি ত্রিপুরা থেকে এসেছি। তার ত্রিপুরাবাসীর জন্য মঙ্গল কামনা করেছি। এবং সময়ে সব কিছুই হয়েছি।”                

এর পাশাপাশি তিনি পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা নিয়েও কথা বলেন। মানিক সাহা বলেন, নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে অনেক বার এসেছেন তিনি। যদিও তাঁর মত আগের পরিস্থিতি আর বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে অনেক বদল হয়েছে। অনেক পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন মানিক সাহা।                



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *