পিংলা: পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার, তদন্তে NIA। ২৭ মে পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হয় শেখ মুসালিম। তাকে গ্রেফতার করে বেঙ্গল STF। তদন্ত চলছিল। এবার বেঙ্গল STF থেকে সেই মামলার তদন্তভার নিল NIA।
সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক অভিযানে ‘পাকিস্তানি চর’-দের গ্রেফতার ঘটনা ঘটছে। দিনকয়েক আগেই রাজ্য পুলিশের STF-এর হাতে গ্রেফতার হন ইসলামপুর ব্লকের প্রাক্তন ব্লক সভাপতির ভাই ফজলে রব্বি। এর আগে ISI-এর হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল STF। সেই সূত্র ধরেই ফজলে রব্বির খোঁজ মেলে বলে STF সূত্রে দাবি।
পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে জালে তৃণমূল নেতার ভাই। উত্তর দিনাজপুর থেকে পাকিস্তানের চর সন্দেহে রাজ্য পুলিশের STF গ্রেফতার করেছে ফজলে রব্বি-কে। তৃণমূলের ইসলামপুর ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই এই রব্বি। ধৃত ফজলে রব্বির স্ত্রী নুরনেহার বেগম বলেন, আমার স্বামী নির্দোষ। চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।যেহেতু তৃণমূলের বড়ো নেতার ভাই, তাই বিরোধীরা এই চক্রান্ত করেছে।স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে, উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরের পাঞ্জিপাড়ার মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোচবিহারের তুফানগঞ্জের নুর নাসিরুদ্দিন আলি, এবং কোচবিহারের সাহেবগঞ্জের রশিদুল হক-কে গ্রেফতার করে STF।
STF সূত্রে খবর, এই ৩ জনকে জেরা করে জানা যায়, ভারতীয় সেনা-সম্পর্কিত একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল তারা। আর্মি ওয়েলফেয়ার এডুকেশন সোসাইটির নাম ব্যবহার করে তারা চরবৃত্তি চালাত। এই প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে ভুয়ো হোয়াটসঅ্য়াপ প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছিল। সেই পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং তথ্য আদানপ্রদান করা হত বলে অভিযোগ। পাঞ্জিপাড়ার মহম্মদ শফিকুল ইসলামের সূত্র ধরেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতার ভাই ফজলে রব্বি-কে। গ্রেফতারির পর তাকে দিনহাটার সাহেবগঞ্জে নিয়ে চলে যায় STF।
এদেশে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করিয়ে নাশকতা নয়। সীমান্তের ওপারে অর্থাৎ পাকিস্তানে বসেই, এদেশের তরুণ-তরুণীদেরই মগজধোলাই করে, তাঁদের নাশকতার কাজে লাগানো। গত কয়েক বছরে সন্ত্রাসের ছক পাল্টে ফেলেছে পাকিস্তানের ISI এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। আর সেটাই এখন ভারতীয় গোয়েন্দাদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে, প্রথমে ৩১ জুলাই, বর্ধমানের রেনেসাঁ টাউনশিপ থেকে জঙ্গি হামিম মণ্ডল ও ১ অগাস্ট ঝাড়খণ্ড থেকে তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এ রপর গত ১২ অগাস্ট, উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে জঙ্গি সন্দেহে পাকিস্তানের নাগরিক রানা রউফ, ওরফে ওয়াহাব আলমকে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে একের পর এক গ্রেফতারের পালা কিন্তু চলছেই।
Kaustav Bagchi: ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণ রুখলেন কৌস্তভ বাগচী, অভিযুক্তদের গাছে বেঁধে রাখার হুঁশিয়ারি
