Health Facts: আজীবন ধূমপান সত্ত্বেও ক্যান্সার মুক্ত থাকেন অনেকে, কী করে এমনটা ঘটে?


ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত ধূমপান। আবার ধূমপান না করেও ক্যান্সার হয়। তেমনই আজীবন ধূমপান করা সত্ত্বেও ক্যান্সার ছুঁতে পারে না কিছু মানুষকে।

ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত ধূমপান। আবার ধূমপান না করেও ক্যান্সার হয়। তেমনই আজীবন ধূমপান করা সত্ত্বেও ক্যান্সার ছুঁতে পারে না কিছু মানুষকে।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ফুসফুসের ক্যান্সারে মৃত্যু হয় যাঁদের, তাঁদের ৮০ শতাংশেরই ধূমপান বা তামাক সেবনের ইতিহাস ছিল। আবার ধূমপানের অভ্যাস থাকা ১০ শতাংশ মানুষেরই ফুসফুসের ক্যান্সার হয়।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ফুসফুসের ক্যান্সারে মৃত্যু হয় যাঁদের, তাঁদের ৮০ শতাংশেরই ধূমপান বা তামাক সেবনের ইতিহাস ছিল। আবার ধূমপানের অভ্যাস থাকা ১০ শতাংশ মানুষেরই ফুসফুসের ক্যান্সার হয়।

কিন্তু ধূমপান করেও ক্যান্সার মুক্ত থাকেন অনেকে। কী ভাবে এমনটা সম্ভব হয়, তা নিয়ে কৌতূহল কিছু কম নয়। সেই নিয়ে গবেষণাও চলছে, যা থেকে কিছু কার্যকারণ উঠে এসেছে।

কিন্তু ধূমপান করেও ক্যান্সার মুক্ত থাকেন অনেকে। কী ভাবে এমনটা সম্ভব হয়, তা নিয়ে কৌতূহল কিছু কম নয়। সেই নিয়ে গবেষণাও চলছে, যা থেকে কিছু কার্যকারণ উঠে এসেছে।

ফুসফুসের স্বাভাবিক এবং সুস্থ কোষের DNA চরিত্র বদলাতে থাকে। ক্যান্সারের জন্য জিনের এই মিউটেশনকে দায়ী করা হয়। কোষগুলির আচরণ অস্বাভাবিক হলে, বিভাজন বিশৃঙ্খল হলে, কোষের অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বিভাজিত হকে শুরু করলে ক্য়ান্সার থাবা বসায়।

ফুসফুসের স্বাভাবিক এবং সুস্থ কোষের DNA চরিত্র বদলাতে থাকে। ক্যান্সারের জন্য জিনের এই মিউটেশনকে দায়ী করা হয়। কোষগুলির আচরণ অস্বাভাবিক হলে, বিভাজন বিশৃঙ্খল হলে, কোষের অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বিভাজিত হকে শুরু করলে ক্য়ান্সার থাবা বসায়।

অতিরিক্ত হারে জমা হওয়া কোষগুলি জমতে জমতে পিণ্ড বা টিউমার তৈরি করে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে রোগ। কিছু রাসায়নিক এই মিউটেশনকে ত্বরান্বিত করে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ওই রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে হতে পারে ক্যান্সার। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধিকারী রাসায়নিককে বলা হয় কার্সিনোজেন।

অতিরিক্ত হারে জমা হওয়া কোষগুলি জমতে জমতে পিণ্ড বা টিউমার তৈরি করে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে রোগ। কিছু রাসায়নিক এই মিউটেশনকে ত্বরান্বিত করে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ওই রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে হতে পারে ক্যান্সার। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধিকারী রাসায়নিককে বলা হয় কার্সিনোজেন।

ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। তামাকজাত দ্রব্যের ধোঁয়ায় ৭০ শতাংশ কার্সিনোজেন থাকে। সিগারেট, সিগার, ভেপস অথবা ই-সিগারেট থেকে তাই ফুসফুসের কোষের মিউটেশন ত্বরান্বিত হয়। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের কোষ দ্রুত বাড়ে। এর ফলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। তামাকজাত দ্রব্যের ধোঁয়ায় ৭০ শতাংশ কার্সিনোজেন থাকে। সিগারেট, সিগার, ভেপস অথবা ই-সিগারেট থেকে তাই ফুসফুসের কোষের মিউটেশন ত্বরান্বিত হয়। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের কোষ দ্রুত বাড়ে। এর ফলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

তবে সকলের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। নিয়মিত ধূমপান করেও রোগমুক্ত থাকেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আমাদের কোষগুলিতে এমন কিছু জৈবিক কৌশল রয়েছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত DNA-কে মেরামত এবং সংশোধন করে। মিউটেশনের জেরে অতিরিক্ত কোষ জমা হওয়াকে আটকায়। যাঁদের জিনে DNA মেরামতের শক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম।  ধূমপান করেও ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকতে পারেন তাঁরা।

তবে সকলের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। নিয়মিত ধূমপান করেও রোগমুক্ত থাকেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আমাদের কোষগুলিতে এমন কিছু জৈবিক কৌশল রয়েছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত DNA-কে মেরামত এবং সংশোধন করে। মিউটেশনের জেরে অতিরিক্ত কোষ জমা হওয়াকে আটকায়। যাঁদের জিনে DNA মেরামতের শক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। ধূমপান করেও ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকতে পারেন তাঁরা।

কম বয়সে ধূমপান করলেও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম হয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বরান্বিত হয় মিউটেশন। ফলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৬৫ বা তার ঊর্ধ্ব, অথবা ৭০ বছর বয়সিদের ফুসফুসের ক্য়ান্সার ধরা পড়ে। খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ৪৫ অনূর্ধ্বরা ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত।

কম বয়সে ধূমপান করলেও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম হয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বরান্বিত হয় মিউটেশন। ফলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৬৫ বা তার ঊর্ধ্ব, অথবা ৭০ বছর বয়সিদের ফুসফুসের ক্য়ান্সার ধরা পড়ে। খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ৪৫ অনূর্ধ্বরা ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত।

পরিবারে ফুসফুসের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি হয়। সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোক বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলেও ঝুঁকি বেশি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৮ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রোগের জন্য দায়ী মা-বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন। ধূমপান করলেও জন্মসূত্রে যাঁরা জিনের মিউটেশন পাননি, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম।

পরিবারে ফুসফুসের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি হয়। সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোক বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলেও ঝুঁকি বেশি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৮ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রোগের জন্য দায়ী মা-বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন। ধূমপান করলেও জন্মসূত্রে যাঁরা জিনের মিউটেশন পাননি, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম।

বাড়ি থেকে অফিস, চারপাশের পরিবেশেও ক্যান্সারের উপাদান থাকতে পারে। ধূমপান করলেও, সেই সব উপাদানেক সংস্পর্শে না এলে ঝুঁকি কম থাকে। বর্ণ এবং গন্ধহীন Radon গ্যাস ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পাথর এবং মাটিতে থাকা ইউরেনিয়াম ভেঙে সৃষ্টি হয় Radon গ্যাস।

বাড়ি থেকে অফিস, চারপাশের পরিবেশেও ক্যান্সারের উপাদান থাকতে পারে। ধূমপান করলেও, সেই সব উপাদানেক সংস্পর্শে না এলে ঝুঁকি কম থাকে। বর্ণ এবং গন্ধহীন Radon গ্যাস ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পাথর এবং মাটিতে থাকা ইউরেনিয়াম ভেঙে সৃষ্টি হয় Radon গ্যাস।

ধূমপান করলেও যাঁরা গ্রামে থাকেন, দূষণ যাঁদের ছুঁতে পারে না, তাঁদেরও ফুসফুসের ক্য়ান্সারের ঝুঁকি কম। শহরের লোকজনের ক্ষেত্রে বায়ু দূষণ থেকেও রোগ হতে পারে। বাড়ির বাইরে দীর্ঘ সময় দূষিত বাতাসের সংস্পর্শে থাকলেও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। পুরনো বাড়িঘর, কলকারখানা, খনি, বস্ত্রশিল্প এবং আরও বহু ক্ষেত্রে অ্যাসবেস্টসের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

ধূমপান করলেও যাঁরা গ্রামে থাকেন, দূষণ যাঁদের ছুঁতে পারে না, তাঁদেরও ফুসফুসের ক্য়ান্সারের ঝুঁকি কম। শহরের লোকজনের ক্ষেত্রে বায়ু দূষণ থেকেও রোগ হতে পারে। বাড়ির বাইরে দীর্ঘ সময় দূষিত বাতাসের সংস্পর্শে থাকলেও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। পুরনো বাড়িঘর, কলকারখানা, খনি, বস্ত্রশিল্প এবং আরও বহু ক্ষেত্রে অ্যাসবেস্টসের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

ধূমপান করলেও অ্যাসবেস্টসsj (Asbestos) সংস্পর্শে না এলে ঝুঁকি কম হয় ঘরবাড়ি তৈরিতে  ব্যবহৃত হয় অ্যাসবেস্টস। শরীরে প্রবেশ করলে স্থায়ী ভাবে ফুসফুসে আটকে যেতে পারে। অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে আসার ১৫ বছর পরও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে কারও।

ধূমপান করলেও অ্যাসবেস্টসsj (Asbestos) সংস্পর্শে না এলে ঝুঁকি কম হয় ঘরবাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় অ্যাসবেস্টস। শরীরে প্রবেশ করলে স্থায়ী ভাবে ফুসফুসে আটকে যেতে পারে। অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে আসার ১৫ বছর পরও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে কারও।

ইউরেনিয়ামের মতো তেজস্ক্রিয় আকরিক, ডিজেল ইঞ্জিনের ধোঁয়া, মাস্টার্ড গ্যাস, ক্রোমিয়াম, কয়লাজাত পণ্য, ইথার, বেরিলিয়াম, ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক, সিলিকা, ভিনাইস, ক্লোরাইড এবং নিকেলের যৌগ থেকে রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলেও হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সার। রেডিয়েশন থেরাপি হয়ে থাকলেও ঝুঁকি বাড়বে। তাতে সুস্থ কোষগুলি নষ্ট হয়ে যায়। ত্বরান্বিত হয় মিউটেশন।        তথ্যসূত্র: https://www.mylungcancerteam.com/ ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

ইউরেনিয়ামের মতো তেজস্ক্রিয় আকরিক, ডিজেল ইঞ্জিনের ধোঁয়া, মাস্টার্ড গ্যাস, ক্রোমিয়াম, কয়লাজাত পণ্য, ইথার, বেরিলিয়াম, ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক, সিলিকা, ভিনাইস, ক্লোরাইড এবং নিকেলের যৌগ থেকে রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলেও হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সার। রেডিয়েশন থেরাপি হয়ে থাকলেও ঝুঁকি বাড়বে। তাতে সুস্থ কোষগুলি নষ্ট হয়ে যায়। ত্বরান্বিত হয় মিউটেশন। তথ্যসূত্র: https://www.mylungcancerteam.com/ ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

Published at : 09 Aug 2026 11:37 AM (IST)

আরও জানুন লাইফস্টাইল-এর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *