সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি হতে পারতেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সেরা বোলিং অস্ত্র। অথচ সেই মাথিশা পাথিরানাই হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দলের অন্যতম উদ্বেগের কারণ। শ্রীলঙ্কার পেসারকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল কেকেআর। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপের সময় চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে যান। বেবি মালিঙ্গা নামে পরিচিত পেসারকে আদৌ আইপিএলে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছিল সংশয়।
ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন পরিস্থিতিতে অবশেষে নাইট শিবিরে স্বস্তি। শহরে পৌঁছে গেলেন পাথিরানা। রাজস্থান ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দিলেন তিনি। যা নাইট সমর্থকদের ইতিবাচক করে তুলেছে।
আইপিএলে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা এমনিতে প্রবল চাপে। শনিবার আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল কেকেআরের। সেই ম্যাচে পাঁচ উইকেটে শুভমন গিলের গুজরাত টাইটান্সের কাছে হেরে যায় কেকেআর। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে শাহরুখ খানের দল। ৬ ম্যাচ খেলে ঝুলিতে মোটে এক পয়েন্ট। প্লে অফের দৌড়ে থাকতে হলে বাকি আট ম্যাচের মধ্যে অন্তত সাতটি জিততেই হবে নাইটদের।
গুজরাতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে শনিবার বিকেলে কলকাতায় ফিরেছে কেকেআর। ক্রিকেটারদের কেউই আর মাঠমুখো হননি। রাজস্থান রয়্যালস ইডেনে প্র্যাক্টিস করলেও, কেকেআর ক্রিকেটারেরা বিশ্রামেই কাটিয়েছেন। তারই মাঝে কেকেআর শিবিরে বড় খবর পাওয়া গেল। জানানো হল, কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন পাথিরানা।
রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে কেকেআরের প্রতিপক্ষ রাজস্থান রয়্যালস। যে দলে বৈভব সূর্যবংশী, যশস্বী জয়সওয়ালের মতো মারকুটে ব্যাটাররা রয়েছেন। রবিবার ম্যাচে কি পাথিরানা খেলবেন? কেকেআর শিবির থেকে যা ইঙ্গিত পাওয়া গেল, তা খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। বলা হল, রবিবার দুপুরের ম্যাচ। অর্থাৎ, কলকাতায় এসে প্র্যাক্টিসের কোনও সুযোগই পেলেন না শ্রীলঙ্কার ফাস্টবোলার। প্র্যাক্টিসে না দেখে তাঁকে সরাসরি ম্যাচ খেলানোর ঝুঁকি নেবে না অভিষেক নায়ার-অজিঙ্ক রাহানের টিম ম্যানেজমেন্ট।
নাইট শিবিরের একজন বলছিলেন, ‘দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর অন্তত দু-তিনটি প্র্যাক্টিস সেশন না কাটিয়ে কী করে কেউ সরাসরি ম্যাচে খেলে দেবে? চোট সারিয়ে ফিরছে পাথিরানা। ওকে নিয়ে দল সতর্কতা অবলম্বন করেই চলবে। তাড়াহুড়ো করা হবে না। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ওর খেলার সম্ভাবনা খুবই কম। কয়েকদিন দলের সঙ্গে প্র্যাক্টিস করিয়ে আগে দেখে নেওয়া হবে।’
