Weather Update: কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণ ? ঘণ্টায় ৪০ কিমি বেগে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, বড় আপডেট IMD-র


কলকাতা: আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যের একাধিক জেলায়। তবে এদিনও হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও ঝাপটা দেবে। ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে  প্রতি ঘণ্টায়, প্রায় ৪০ কিমি। 

আরও পড়ুন, জ্ঞানেশকাণ্ডে একজোট হচ্ছে কংগ্রেস-সিপিএম-মমতা তৃণমূল?

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ ওড়িশা এবং দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের উপর অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে, বর্তমানে উত্তরপূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন উত্তর ছত্তিশগড় উপর অবস্থান করছে। এটি কাল সকালে ২৩.৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১.৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের কাছাকাছি কেন্দ্রীভূত ছিল, যা মধ্যপ্রদেশের সিধি থেকে প্রায় ৭০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।    

সেপ্টেম্বর মাসের বাকি কটা দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকবে বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। অন্য়দিকে, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং সহ পার্বত্য এলাকায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে অপেক্ষাকৃতভাবে উত্তরের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। আইএমডি সূত্রে খবর, রবিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে। তবে ভারী বর্ষণের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে। পড়বে বাজ এবং ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে প্রতি ঘণ্টায় ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

সম্প্রতি পাহাড়ে নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে পশ্চিম সিকিমের ইয়ুকসামে নামে ভয়াবহ ধস।  ধসের কবলে পড়ে গ্রামীণ হাসপাতালও। দেওয়াল ভেঙে ঢুকে পড়ল জল-কাদার স্রোত। ফের ভেসে গেলে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু।ধস নামল, ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। ৩ বছরের মাথায় ফের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল সিকিম। একটানা বৃষ্টির জেরে বৃহস্পতিবার রাতে ধস নামে পশ্চিম সিকিমের কিছু এলাকায়। মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বেশ কিছু বাড়ি। উপড়ে ভেসে যায় গাছপালা।

ঘটনায় বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়েছে পশ্চিম সিকিমের ইয়ুকসাম-তাশিডিং বিধানসভা এলাকার রিম্বি গ্রাম। মাটির তলায় চাপা পড়েছে গ্যালশিং জেলার একাধিক বাড়ি ও সরকারি আবাসন। ঘটনার পরই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।পাশাপাশি, নতুন করে ধস ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় ঢালু এলাকা বাসিন্দারা নিরাপদ জায়গায় সরে গিয়েছেন। ধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। রিম্বিতে ভয়াবহ ধসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এক্স পোস্ট করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং।
 
 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *