কলকাতা: Pulsar N160-এর নতুন দুটি ভ্যারিয়েন্ট বাজারে নিয়ে এল Bajaj Auto। নতুন বাজার আসা Pulsar N160 S এবং N160 SS -এর দাম বর্তমানে বাজারে থাকা Pulsar N160 থেকে একটু বেশি রাখা হয়েছে। N160 S-এর দাম ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা এবং N160 SS-এর দাম ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। পাশাপাশি আগের N160-ও বাজারে পাওয়া যাবে। নতুন মডেলগুলির দাম আগের N160-এর তুলনায় যথাক্রমে ১০ হাজার ৭০৮ টাকা এবং ১৪ হাজার ৮৯ টাকা বেশি।
নতুন বাইক দুটির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন রয়েছে ইঞ্জিনে। নতুন পালসারে রয়েছে ১৬৪.৫ সিসি, সিঙ্গল-সিলিন্ডার, ফোর-ভালভ ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ১৮.৫ হর্স পাওয়ার শক্তি এবং ১৪.৫ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করে। অর্থাৎ আগের ১৬ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের তুলনায় শক্তি বেড়েছে ২.৫ হর্স পাওয়ার।
নতুন মডেলগুলিতে ইলেকট্রিক থ্রটলও রয়েছে। এর ফলে Road, Rain এবং Sport-এর পাশাপাশি Off-road রাইড মোডও থাকছে এই বাইকগুলোতে। কম গতিতে ক্লাচের ব্যবহার কমানোর জন্য রয়েছে Crawl টেকনোলজি। N160 SS ভ্যারিয়েন্টে অতিরিক্ত ট্র্যাকশন কন্ট্রোলের সুবিধাও দেওয়া হয়েছে। দুই বাইকেই ফাইভ স্পিড গিয়ারবক্স রয়েছে। এ ছাড়াও একই ইঞ্জিন হওয়ায় দুই বাইকেরই ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে সময় লাগে প্রায় ৪.৫ সেকেন্ড।
সাসপেনশনেও পরিবর্তন করা হয়েছে। পুরনো ৩৩ মিমি ফর্কের পরিবর্তে নতুন মডেলগুলিতে ৩৭ মিমি আপ সাইড ডাউন ফর্ক দেওয়া হয়েছে। N160 SS-এ রয়েছে নতুন TFT ডিসপ্লে, যেখানে Google Maps মিররিং করা যায়। অর্থাৎ, আপনার ফোনের ম্যাপ আপনি দেখতে পাবেন আপনার বাইকেও। এ ছাড়াও Bluetooth এবং Wi-Fi সংযোগের সুবিধাও রয়েছে। নতুন এই দুই মডেলে অ্যাডজাস্টেবল লিভারও দেওয়া হয়েছে।
মূল ডিজাইন অপরিবর্তিত থাকলেও নতুন গ্রাফিক্স এবং রঙিন চাকার মাধ্যমে বাইক দুটিকে আরও স্পোর্টি করে তোলা হয়েছে। Atlantic Blue, Brooklyn Black এবং Pearl Metallic White-সহ একাধিক রঙের বিকল্প রয়েছে।
নতুন Pulsar N160 S এবং N160 SS কিন্তু পুরোনো N160 -এর বদলে বাজারে এসেছে, এমন নয়। বরং এই বাইক দুটিকে দামের দিক থেকে পুরোনো N160 -এর কিছুটা উপরে রাখা হয়েছে। আর ইঞ্জিনের ১৮.৫ হর্স পাওয়ার শক্তির কারণে এইগুলোই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ১৬০ সিসি পালসার। আর এর ফলে বাজারে TVS Apache RTR 160 4V এবং Hero Xtreme 160R 4V-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে Pulsar N160 -এর প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে।
