Big Boss Bangla: বিগ বসের ঘরে কেন একটি ঢোলা জিনসের জ্যাকেট পরে ঘোরেন তাপস পাল কন্যা সোহিনী? রয়েছে একটি বিশেষ কারণ


কলকাতা: বিগ বস বাংলার (Big Boss)-এর ঘরে গিয়েছেন, তাপস পালের কন্যা, সোহিনী পাল (Nandini Paul)। প্রাথমিকভাবে সোহিনীকে সামান্য চুপচাপ মনে হলেও, যত সময় এগিয়েছে, সোহিনী খুব স্পষ্টভাবে নিজের মতামত রেখেছেন। খেলার মধ্যে একেবারে ঢুকে পড়েছেন। নিজের মতো করে, প্রত্যেকটা বিষয়েই যুক্ত থাকছেন। এমনকি তিনি যখন ডাগআউটে ছিলেন, তখন প্রত্যেকটি টাস্কের সময়ে তাঁর কাজ যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছিল। হাউজমেটরা মনে করেছিলেন, সোহিনী যথেষ্ট খেটে প্রত্যেকটা কাজ করেছেন। আর সেই সমীকরণেই ডাগআউট থেকে মূল হাউজে ফিরে এসেছেন সোহিনী। মোটের ওপর, মিষ্টি মেয়ে সোহিনী যে এখন বিগ বস বাংলার যথেষ্ট শক্তিশালী একজন প্রতিযোগী, তা দর্শকেরা ধীরে ধীরে বুঝতেও শুরু করেছেন। 

বিগ বসের ঘরে, সোহিনীর গায়ে ঢোলা জিনসের জ্যাকেট, এর পিছনে রয়েছে এক বিশেষ গল্প!

‘বিগ বস বাংলা’ যাঁরা নিয়মিত দেখছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই সোহিনীকে দেখেছেন একটি জিনসের জ্যাকেট গায়ে দিয়ে থাকতে। রাতে শোওয়ার সময়, অথবা গল্প করার সময়ে সোহিনী এই জ্যাকেট গায়ে দিয়ে বসেন। কখনও আরাম করার সময়েও, সোহিনীর সঙ্গী এই জ্যাকেটটি। ওভারসাইজড-এই জ্যাকেটে, সোহিনীকে মানিয়েছেও বেশ। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই জ্যাকেটটির পিছনে একটি গল্প রয়েছে। আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অজানা গল্পই বলেছেন, তাপস পালের স্ত্রী, নন্দিনী পাল। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট সক্রিয়। মা আর মেয়ে, একসঙ্গেই থাকেন। সোহিনী বিগ বসের বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে, নন্দিনী মেয়েকে নিয়ে অনেক পোস্টই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নেন। আর আজ তিনি লিখেছেন, সোহিনীর এই জিনসের জ্যাকেটের অজানা গল্প। 

নন্দিনী জানিয়েছেন, সোহিনী বিগ বসের ঘরে রাতে শোওয়ার সময়ে যে জ্যাকেটটি আগলে রাখেন বা হামেশাই গায়ে দিয়ে রাখেন, সেটি আসলে তাঁর বাবা। তাপস পালের। এই জ্যাকেটটি নাকি সবসময়েই সঙ্গে রাখতে পছন্দ করেন সোহিনী। মায়ের সঙ্গে এই জ্যাকেট নিয়ে সোহিনী বিশেষ কথা বলতে না চাইলেও, নন্দিনী অনুভব করেন, এই জ্যাকেটে হয়তো এখনও বাবার উপস্থিতি, বাবার গন্ধ টের পান সোহিনী। মা নন্দিনী আরও লিখেছেন, সকালবেলা যখন নন্দিনী ওই জ্যাকেটটা গায়ে দিয়ে বসে থাকেন তখন তাঁর মনে হয় তাপস পাল আগলে রেখেছেন মেয়ে নন্দিনীকে।

 

আরও পড়ুন: প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসকে ‘ভেড়া’ বলে আক্রমণ, বিগ বসে তুমুল অশান্তি



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *