Headlines

CJP Protest: ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে উত্তেজনা, সংঘর্ষ; পুলিশ জানাচ্ছে আহত ১১৮-র বেশি কর্মী


নয়া দিল্লি: দিল্লিতে সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন সংঘর্ষে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ১১৮ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে স্পেশাল কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার, অ্যাডিশনাল কমিশনার এবং ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। যদিও ঘটনাক্রম ধরা পড়েছে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থক ও শিক্ষার্থীদের ভিডিওতেই।

আরও পড়ুন: ভাঙড়ে ফের আক্রান্ত পুলিশ, পোলেরহাটে কর্তব্যরত কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

পুলিশের দাবি, সংসদ অভিমুখে মিছিল এগিয়ে যাওয়ার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়মের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি করেছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি। আর সেই সেই সিজেপির হাজার হাজার সমর্থক ও শিক্ষার্থীরা যখন যন্তর মন্তর থেকে সংসদের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই এই সংঘর্ষ হয়।

বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। তার জেরেই বহু পুলিশকর্মী আহত হন বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ঘটনার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: “রাত ১০ টায় ৬০০ জনের বাইক বাহিনী পাঠিয়েছিল, …তারকাটা পার্টি”, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে লাগাতার আক্রমণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দিল্লি পুলিশের এক্স (X) হ্যান্ডেল সম্পূর্ণ বিষয়টিকে ‘হিংসাত্মক বিক্ষোভ’ বলে বিবৃতি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, অন ডিউটি অবস্থায় ১১৮ জনের বেশি পুলিশকর্মী নাকি সোমবারের ঘটনায় আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকও রয়েছেন। ঘটনার পর দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার হাসপাতালে গিয়ে আহত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তিনি বলেন, কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ইউনিফর্মে লাগা প্রতিটি আঘাত দায়িত্বনিষ্ঠারই প্রমাণ।

পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেল এবং এই মিছিলের ‘হিংসাত্মক’ হয়ে ওঠার পিছনে কে বা কারা দায়ী, তা খতিয়ে দেখা হবে। যাতে নতুন করে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেই কারণে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

পুলিশ সকল পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছে এবং তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তথ্যসূত্র: IANS





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *