Iran Israel War : ইরান যুদ্ধের থেকে বড় সংকটের আশঙ্কা করছে ভারত ! সংসদে দাঁড়িয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী ?


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Jaishankar In Parliament :  পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের (S Jaishankar)  সাম্প্রতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) তেলের দাম (Crude Oil Price) সংক্রান্ত মন্তব্যের পর ভারতের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা: ট্রাম্পের অবস্থানের বিপরীতে ভারতের ‘এনার্জি সিকিউরিটি’ বার্তা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। একদিকে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেলের দাম বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করে যুদ্ধের দিকে বেশি মনোনিবেশ করছেন, ঠিক তখনই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর রাজ্যসভায় ভারতের উদ্বেগের কথা স্পষ্ট করেছেন।

১. জ্বালানি সংকট নিয়ে জয়শঙ্করের বক্তব্য
বিদেশমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন , পশ্চিম এশিয়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন: ভারত তার প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাসের একটি বিশাল অংশ এই অঞ্চল থেকে আমদানি করে। সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত বা অনিশ্চয়তা ভারতের অর্থনীতির জন্য বড় চিন্তার কারণ।

সরকারের অগ্রাধিকার: দেশের সাধারণ মানুষের ওপর যাতে বর্ধিত তেলের দামের প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

২. ট্রাম্প বনাম জয়শঙ্কর: দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধের প্রয়োজনে তেলের দাম বাড়লে তা নিয়ে তিনি খুব একটা চিন্তিত নন। কিন্তু ভারত এখানে ভিন্ন মেরুতে অবস্থান করছে। জয়শঙ্কর স্পষ্ট করেছেন যে, ভারত শুধুমাত্র যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নয়, বরং অ্যাভেইলিবিলিটি (প্রাপ্যতা) এবং কস্ট (খরচ)—এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

৩. ভারতের আহ্বান: সংযম ও আলোচনা
বিদেশমন্ত্রী পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সকল পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন:

বিষয় ভারতের অবস্থান
জ্বালানি নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার; দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা।
কূটনৈতিক অবস্থান অবিলম্বে যুদ্ধ বিরতি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান।
নাগরিক সুরক্ষা বিদেশে কর্মরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বিশ্ব রাজনীতি যুদ্ধ নয়, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, কোনো সংঘাতই দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নয়; আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের সমাধান সম্ভব। প্রতিবেশী দেশগুলোতে এই যুদ্ধের প্রভাব পড়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে ভারত ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাজ্যসভায় বিরোধী দলগুলোও এই ইস্যুতে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিদেশে থাকা ভারতীয়দের সুরক্ষা নিয়ে নিয়ম ১৭৬-এর অধীনে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *