২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi) হয়তো আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু ফুটবলকে বিদায় জানানো তাঁর পক্ষে যে এত সহজ নয়, তা প্রমাণ করে মেসি এখনও আর্জেন্টিনার (Argentina) জার্সিতে খেলে যাচ্ছেন। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) মেসির কেরিয়ারে বিশেষ হতে পারে। কীভাবে এমনটা সম্ভব?
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ লিওনেল মেসির জন্য কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
ছয়টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য ইতিহাস
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠে নামলেই লিওনেল মেসি বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়বেন।
চাপমুক্ত ফুটবল খেলা ও খেতাব রক্ষা
কেরিয়ারের দীর্ঘ সময় মেসি খেলেছেন ট্রফি না পাওয়ার এক বিশাল মানসিক চাপ মাথায় নিয়ে। কিন্তু এখন তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ ‘জে’ (Group J)-তে অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে। তাই ফুটবল মহলের মতে, এই প্রথম মেসি কোনও বিশ্বকাপে নামবেন সম্পূর্ণ চাপমুক্ত হয়ে, শুধুমাত্র ফুটবলকে উপভোগ করার জন্য।
Another chapter for Lionel Messi 🇦🇷#FIFAWorldCup pic.twitter.com/lCXUNebNhK
— FIFA World Cup (@FIFAWorldCup) June 3, 2026
চেনা পরিবেশ ও ঘরের মাঠের সুবিধা
লিওনেল মেসি গত কয়েক মরসুম ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন। ফলে আমেরিকার মাঠ, আবহাওয়া এবং পরিবেশ তাঁর খুবই চেনা। ঘরের মাঠের মতো এই চেনা পরিবেশে বিশ্বজুড়ে তাঁর কোটি কোটি ভক্তকে আরও একবার মুগ্ধ করার সুযোগ পাবেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সে এসেও তাঁর মায়াবী বাঁ-পায়ের পাসিং ও গেম রিডিং দলের জন্য এখনও এক্স ফ্যাক্টর।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ লিওনেল মেসির কাছে সেই অর্থে কোনও কিছু প্রমাণ করার মঞ্চ নয়, বরং এটি তাঁর কেরিয়ারের একটি গৌরবময় বিজয় উৎসবে পরিণত হতে পারে। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে ফুটবলকে যা দেওয়ার তা তিনি অনেক আগেই দিয়েছেন। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে মেসির মাঠে নামার অর্থ হল ফুটবল বিশ্বকে তাঁর জাদুর শেষ ছোঁয়াটুকু উপহার দেওয়া, যা আগামী বহু প্রজন্ম বারে বারে স্মরণ করবে। আর যদি এবার আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ খেতাব জিততে পারে, তা হলে পরপর দু’বার সোনালি ট্রফির মালিক হবেন সকলের প্রিয় লা পুলগা।
Chess Grandmaster | পশ্চিমবঙ্গের দাবার মুকুটে যোগ হল নতুন পালক, দেশের ৯৫তম গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন কলকাতার আরণ্যক ঘোষ
