শীতলকুচি, কোচবিহার: ফের উত্তেজনা কোচবিহারে। এবার বাইক বাহিনীর তাণ্ডবের অভিযোগ উঠল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। সেখানে বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল ওই বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে। ২ ব্যবসায়ীর বাড়ি ও দোকানে হামলার অভিযোগ।
আরও পড়ুন: আইফোনের ইএমআই থেকে বিভিন্ন লোন, কীভাবে ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে যাচ্ছে জেন জি?
জানা গিয়েছে, কোচবিহারের শীতলকুচির নয়াবাজার এলাকায় অনেক বাইক নিয়ে ২ ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। আরও জানা গিয়েছে, ওই দুই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও দোকানে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় ওই দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করে গাড়ি ও বাইকও। এ ছাড়াও ভেঙেচুরে তছনছ করা হয় কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার সহ একাধিক সরঞ্জাম। চলে লুঠপাটও। লুঠ করা হয় গয়নাগাটিও।
এ ছাড়াও ওই ২ ব্যবসায়ীর দোকানেও হামলাও হয়। জানা গিয়েছে, দোকান থেকে মোবাইল, ল্যাপটপও লুঠ করা হয়। আক্রান্ত দুই ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের কয়েকজন নাকি শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত। যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি হামলাকারীদের সঙ্গে দলের কেউ যুক্ত নয়।
আক্রান্ত ব্যবসায়ী ফাকিরুল ইসলাম বলেন, “কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নেই। আমি কোনও রাজনৈতিক সমস্যায় জড়াই না। আমার কোনও সমস্যা নেই। আমার এলাকার কোনও লোক এমন কিছু বলতে পারবেন না যে আমি রাজনীতির কারও সঙ্গে কোনও খারাপ কিছু করেছি। পারিবারিকও কোনও সমস্যা নেই। এরা হঠাৎ হয়তো ভেবেছে যে ওখানে গেলে কিছু অর্থ পাওয়া যাবে। তাতে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অনুমান ৭০-৮০ লক্ষ টাকা হবে। সোনাদানা, টাকা পয়সা। ক্যাশ থেকে শুরু করে জিনিসপত্র। শাসকদলেরও বেশ কিছু লোককে দেখা গিয়েছে।”
অন্যদিকে শীতলকুচির বিজেপি মণ্ডল সভাপতি পুলিন বরং বলেন, “যারা করেছে, তাদের তো শনাক্ত করা যায়নি। আমরাও খোঁজ খবর রাখব। আমরাও চাই, এতে কারা যুক্ত তদফয়ের শনাক্ত করা হোক। আর দলীয় কেউ যুক্ত থাকলে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
Serampore Fire Incident : শ্রীরামপুরের একটি আবাসনে আগুন । কীভাবে লাগল আগুন ? ABP Ananda Live
