Dhaniakhali Violence: ৮ বছর আগে ‘লুঠপাট’ তৃণমূলের, ‘ভয়ের পরিবেশ’ কাটতেই অভিযোগ বিজেপি নেতার, গ্রেফতার ৬


সোমনাথ মিত্র, ধনিয়াখালি, হুগলি: ভোট পরবর্তী সময়ে ফের সন্ত্রাসের অভিযোগ। হুগলি জেলার ধনিয়াখালিতে বিজেপি নেতার বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর, আগুন লগিয়ে দেওয়া, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানো ও টাকা পয়সা লুঠ সহ একাধিক ঘটনার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের ৬ জন নেতা ও কর্মীকে।

আরও পড়ুন: চলছে বুলডোজার, মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি সওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফে ‘অরণ্যের কূলে’ ভাঙা শুরু

ধনিয়াখালিতে এই সন্ত্রাসের অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে ৬ জন। এই ৬ জনের মধ্যে রয়েছেন; ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধক্ষ মহম্মদ হানিফ, গুড়াপ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সদস্য জয়ন্ত হাজরা, চন্দন কুমারের মতো তৃণমূল নেতারা। এ ছাড়াও রয়েছেন আনন্দ ব্যানার্জী সহ আরও ২জন তৃণমূল কর্মী। ধৃত এই ৬ জনকে আজ চুঁচুড়া আদালতে তোলে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের সন্ত্রাসের সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল অর্থাৎ ১ জুলাই গুড়াপ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে বিজেপি যুব মোর্চার প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মনোজিৎ গুইন -এর  বাড়িতে হামলা চালায় একদল তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুরের পাশাপাশি বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়।           

আরও পড়ুন: নিকাশি নালা ভরাট করে ভুয়ো বিল্ডিং পরিকল্পনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভবন তৈরি, উদয়নের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

অত্যাচারের কাহিনী কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পরও গুড়াপের রাস্তায় তাঁকে ঘিরে ধরে টাকা পয়সা ও সোনার গয়না লুঠ করে তৃণমূল কর্মীরা। ওই বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, এতদিন সন্ত্রাসের কারণে ওখানে ভয়ের পরিবেশ ছিল। আর সেই কারণেই তিনি এতদিন, অর্থাৎ প্রায় ৮ বছর কোনও অভিযোগ জানতে পারেননি।           

রাজ্যে পালা বদলের পরই সেই সমস্ত ঘটনার কথা উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা মনোজিৎ গুইন। গত ১ জুলাই গুড়াপ থানায় লিখিত অভিযোগ জানান তিনি। আর তারপরই ঘটনার তদন্তে নামে গুড়াপ থানার পুলিশ। আর তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা।           



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *