Iran US Israel War : মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার ফল, দুবাই-আবুধাবি ছেড়ে ভারতে পাড়ি দিচ্ছে অ্যামাজন-মাইক্রোসফট


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Make In India : পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান অস্থিরতা ও ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের (Iran US Israel War) সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্বপ্রযুক্তি বাজারে (Tech Company)। নিরাপত্তার খাতিরে বিশ্বের বড় বড় টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলি এখন তাদের ডাটা সেন্টার ও পরিকাঠামো উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে সরিয়ে ভারতে আনার পরিকল্পনা করছে।

পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘাতের আঁচ এবার লাগল প্রযুক্তির গায়ে। নিরাপত্তার অভাববোধ করায় আমাজন (AWS) এবং মাইক্রোসফটের (Azure) মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডাটা পরিকাঠামো সরিয়ে ফেলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। আর এই তালিকায় বিকল্প হিসেবে বড় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত।

কেন এই সরে আসার সিদ্ধান্ত ?
গত ২ মার্চ দুবাই, আবুধাবি ও ওমানের মতো এলাকায় অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)-এর ওপর ড্রোন হামলা চালানো হয়। বাহরিনের একটি বড় ডাটা সেন্টারেও বড়সড় নাশকতার খবর মিলেছে।

হামলার প্রভাব ছিল ব্যাপক:

ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ব্যাহত: হামলার পরপরই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির স্থানীয় ব্যাঙ্কিং অ্যাপগুলি অচল হয়ে পড়ে।

শেয়ার বাজার বন্ধ: কারিগরি ত্রুটির কারণে দুবাইয়ের স্টক মার্কেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

বিমানে বিঘ্ন: দুবাই ও কুয়েত বিমানবন্দরের ডিজিটাল পরিষেবাতেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে।

এমনকি তেহরানে অবস্থিত মাইক্রোসফট অ্যাজিউর-এর একটি ফ্যাসিলিটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে সংস্থাগুলো তাদের গ্রাহকদের দ্রুত ডাটা নিরাপদ অঞ্চলে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

ভারতের জন্য বড় সুযোগ
প্রযুক্তি বিশ্বে ডাটা সেন্টারের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সার্ভার যত কাছে থাকে, ইন্টারনেটের গতি তত বেশি হয়। মধ্যপ্রাচ্যের সংবেদনশীল তথ্য ও ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সচল রাখতে সংস্থাগুলোর এমন একটি বিকল্প প্রয়োজন যা ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের কাছে কিন্তু রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে নিরাপদ।

এই সমীকরণে ভারত এখন সেরার তালিকায়। বিশেষ করে মুম্বাই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ এবং কোচি—এই শহরগুলিতে নতুন ডাটা সেন্টার গড়ার বিষয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে টেক জায়ান্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মত
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের উন্নত ডিজিটাল পরিকাঠামো ও স্থিতিশীল পরিবেশই এই মুহূর্তে বড় কোম্পানিগুলিকে আকর্ষণ করছে। যদি এই স্থানান্তর সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে ভারতের আইটি খাতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল অর্থনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *