জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে দুমড়ে গেল বিমান, নিহত ২ সেনাকর্তা সহ ১৪ জন, কোথায় দুর্ঘটনা?


কঙ্গোতে সামরিক বিমানে ঘটল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বিমানটিতে ছিলেন  তিন সেনা কর্তা। এছাড়াও বেশ কয়েকজন সেনাকর্মী।  শেষ পাওয়া খবর অনুসারে,  তাঁরা প্রত্যেকেই মারা গিয়েছেন।  কিকউইট থেকে কিনশাসা যাওয়ার সময়ই  দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর,  যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই কঙ্গোতে অবতরণ করতে বাধ্য হয় বিমানটি। কিন্তু কোনও রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় পড়ে যায়। তার জেরেই ঘটে বড় বিপদ। ওই এলাকায় কোনও বসতি ছিল কিনা, বিমানটি এইরকম ভাবে অবতরণ করায় , সাধারণ মানুষ কেউ মারা গিয়েছেন  কিনা, এখনও সেই সংক্রান্ত তথ্য নেই।  

সে-দেশের সেনাবাহিনীর  মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইফোমি একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, বিমানটিতে সফর করছিলেন সে-দেশের সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থরাই। এর মধ্যে ২ জন একেবারে শীর্ষস্থানীয় সেনা আধিকারিক।   দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা সবারই মৃত্যু হয়েছে।

নিহত দুই শীর্ষ সেনাকর্তার নাম লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতোম্বো কাতালয়ি তিয়েন্দে । এছাড়াও মারা গিয়েছেন কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনীর অডিটর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া। সেনাবাহিনীর দুই শীর্ষ স্থানীয়র অকাল মৃত্যুতে কঙ্গোার সামরিক বাহিনীতে নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি, ওই বিমানটি রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল ।  কঙ্গোর কেনজে অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানে হঠাৎ গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটি চোখে পড়ে।  মুহূর্তের মধ্যেই চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। বিমানটি কেনজে এলাকায় আছড়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তারা ছুটে যান।  উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে কয়েকটি রিপোর্টে দাবি, বিমানটি অবতরণ করানোর চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। তবে শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল বিমানে, তা তদন্তের পরই জানা যাবে। 

 ঠিক কী কারণে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটল কিংবা দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। সেনা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হবে। ইতিমধ্যে উচ্চপর্যায়ের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আলাদা আরেকটি বিবৃতিতে কঙ্গোর অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে দুর্ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্ত শেষ হলেই বিস্তারিত তথ্য সামনে আনা হবে। যে এলাকায় বিমানটি আছরে পড়ে, সেটি বেশি দুর্গম জায়গা। তাই  যোগাযোগ ও পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কিছুটা সময় লাগতে পারে।  

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *